টুকরো টুকরো কথায় জীবনের দর্শন

জীবন

এক অধরা রহস্য। যার সূত্র মেলাতে প্রতিনিয়ত আমরা হিমশিম খেয়ে চলেছি। জীবন এক সুদূর লক্ষ্যপথ। যার সাধনায় আমাদের যাপিত সময়। জীবনের এ গোলক ধাঁধাঁ মেলানোর কোনো মন্ত্র আদৌ আমাদের জানা নেই। এভাবেই প্রতিনিয়ত আমরা নিজেদের সব শক্তি, সামর্থ্য ও অভিজ্ঞতা নিয়ে রহস্যময় জীবনের মুখোমুখি হচ্ছি।


তবে আমি শতভাগ নিশ্চিত যে, আমরা অনর্থক এই রহস্যময় পরিস্থিতিতির মুখোমুখি হইনি। আমার তো মনে হয়, জীবন আমাদেরকে এই বার্তা দেয় যে, গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্ব সম্পাদনের জন্যই আমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। ধূলির এ ধরায় প্রতিটি মানবজন্মের পেছনেই গুরুত্বপূর্ণ কোনো কারণ রয়েছে। রয়েছে বিশেষ কোনো দায়িত্ব। তবে সুনির্দিষ্ট এই দায়িত্ব কাকে কখন পালন করতে হবে, তা নিশ্চিতভাবে জানার উপায় নেই। হতে পারে তা তারুণ্যের টগবগে সোনালি সময়ে। আবার হতে পারে নানা অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ জীবনের শেষ বয়সে। মহতি সেই ক্ষণ দুয়ারে কড়া নাড়বে যে কোনো সময়। তাই নিজেকে সবসময় প্রস্তুত রাখুন।


জীবনকে উপভোগ করুন

নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলো সযতনে লালন করতে শিখুন। আমাদের সম্পর্কগুলোর বর্তমান চিত্র খুবই হতাশাব্যঞ্জক। শেষ কবে নিজ গরজে কল করে মা-বাবা কিংবা বন্ধু ও স্বজনদের খোঁজ নিয়েছেন বলুন তো? সময়ের ব্যবধানটা কয়েক মাসের না হলেও কয়েক সপ্তাহের তো বটেই!


আমি আপনাকে একটা সরল কথা বলি... নানা কাজকর্ম আর ব্যস্ত কর্মজীবনের ভিড়ে সামাজিক যোগাযোগের গুরুত্বটা ভুলে বসবেন না। আপনার সুখ-দুখ, হাসি-কান্না ভাগ করে নেওয়ার মতো কেউ যদি না-ই থাকে, তবে এ অর্থ-সম্পদ আপনার তেমন কাজে আসবে না। আলাদাভাবে সময় সুযোগ বের করে দেখা সাক্ষাতের অপেক্ষায় না থেকে নিজের কাজকর্মের ফাঁকে ফাঁকে কাছের মানুষগুলোর সাথে যোগাযোগ ঠিক রাখুন। তা না হলে মনে রাখবেন, আপনার অলক্ষ্যেই আপনি একাকীত্বের যাতনায়া ভুগবেন।

মানুষের কাজের তো আর শেষ নেই! আবার পার্থিব এ জীবনও দ্রুত ফুরিয়ে আসা এক কঠিন সত্য। কিছু বুঝে ওঠার আগেই এখানে জল গড়িয়ে বহুদূর চলে যায়। তো জীবনের একটি মুহূর্তও তাহলে অযথা নষ্ট করবেন না। সময়গুলোকে কল্যাণের কাজেই ব্যয় করুন। আর শরিয়তের গণ্ডির ভেতর থেকে জীবনটা উপভোগ করুন।


ছক বাঁধা জীবনের বৃত্তে আঁটকে থাকবেন না

কর্মব্যস্ত জীবনে একই কাজ করতে করতে আমরা হাঁপিয়ে উঠি। পেয়ে বসে একঘেয়েমি। ছক বাঁধা জীবন আমাদের ভুলিয়ে দেয় মুক্তবিহঙ্গের মতো আকাশে উড়ার মজা... নতুনত্বের স্বাদ... আর স্বাধীনতার আনন্দ। বৃত্তবন্দি এ জীবনে খেয়াল করে দেখবেন, কল্পনার গতিকে হার মানিয়ে সময় ছুটে চলছে। লক্ষ্যের কক্ষপথ নাগালের বাইরে রেখেই কেটে যাচ্ছে জীবনঘড়ি। সময় বলতে আমি অবশ্য দু-এক দিনের কথা বলছি না। পুরো জীবনের কথাই বলছি। ছক বাঁধা একঘেয়েমি জীবনের বিস্বাদ কাটিয়ে উঠতে টুকরো টুকরো অবসরগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন। দেহ-মনকে চাঙা রাখার মতো কিছু কাজ করুন। যেমন ছুটির দিনে একটু জগিং করুন। পরিবারসহ কোথাও থেকে ঘুরে আসুন।


এছাড়াও সহজ কিছু পন্থা অবলম্বন করে আপনি কর্মব্যস্ত জীবনে বৈচিত্র্য আনতে পারেন। দৈনন্দিন রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন এনে জীবনটা খানিক সহজ করে তুলতে পারেন। যেমন কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের একাধিক পথ ও উপায় থাকলে এই ভিন্নতাকে গ্রহণ করুন। মাঝে মাঝে একটু ধ্যান বা যোগ-ব্যায়াম করুন। বর্তমান যাকে মেডিটেশন বলা হয়।


এসব তো গেলো ছোটখাটো বিষয়। কখনো কখনো জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে বড় পরিবর্তনেরও প্রয়োজন দেখা দেয়। যাকে বলে আমূল পরিবর্তন। কাঙ্ক্ষিত সাফল্য ও লক্ষ্যের নাগাল না পেলে কখনো কখনো কর্মক্ষেত্র, পেশা এমনকি বসবাসের শহরটিও পরিবর্তন করতে হয়। সবই কিন্তু জীবনের তাগিদে। জীবিকার তাগিদে। সর্বোপরি সুখের সন্ধানে।


নিজেকে সারপ্রাইজ দিন

আপনি যদি নিজের প্রতিভা ও কর্মদক্ষতা একটি নির্দিষ্ট বৃত্তের সীমারেখায় আবদ্ধ রাখতে পছন্দ করেন, তবে জেনে রাখবেন—আপনি খুব সাধারণ গোছের একজন মানুষ। গতানুগতিক চিন্তাধারার বাইরে আপনার নিজস্ব কোনো ভাবনা নেই।

নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করার নিমিত্তে নতুন নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করুন। চিরচেনা ও নিরাপদ বৃত্তের বাইরে নিজেকে কেমন দেখায়, তা জানার চেষ্টা করুন। আপনি যদি একই জায়গায় নির্দিষ্ট কিছু মানুষের সাথে নির্দিষ্ট কিছু কাজেই জীবন কাটিয়ে দেন, তাহলে আপনি হয়তো কখনোই জানতে পারবেন না যে, আপনি আসলে কে ছিলেন? কেমন ছিলেন? কতটা প্রতিভাবান বা সৃজনশীল ছিলেন? এসব প্রশ্নের উত্তর না জেনেই একদিন আপনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবেন।


এর পাশাপাশি আপনি কোনো সামাজিক বা সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করুন। আপনার আগ্রহের বিষয় এবং চিন্তাভাবনার সাথে মিলে যায়—এমন বন্ধুদের খুঁজে বের করুন। যাদের সাহচর্য আপনার জীবনকে উপভোগ্য করে তুলবে। হতে পারে তা কোনো ধর্মীয় কিংবা সমাজসেবামূলক সংগঠন। হতে পারে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গড়ে ওঠা কোনো গ্রুপ। মনে রাখবেন, এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ব্যাপার হলো—আপনি যেখানে যা করছেন তা যেন নিজের কাছে বোঝা হয়ে না দাঁড়ায়। অন্তর্জালের জয়জয়কারের এ যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্তর্জালকেন্দ্রিক নানা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন গড়ে উঠছে। আপনার কাজ শুধু একটু কষ্ট করে খুঁজে বের করে, যাচাই-বাছাই করে তাদের সাথে অংশগ্রহণ করা। হতে পারে তা আপনার এলাকাকেন্দ্রিক, কিংবা ভিন্ন কোনো শহরের।


জীবনকে ভালোবাসতে শিখুন

ক্ষুদ্র এ জীবনে প্রতিনিয়ত আমরা কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। যার অধিকাংশই আমরা যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে পারি না। তার কারণ হলো জীবনের প্রতি আমাদের ভালোবাসা খুবই সংক্ষিপ্ত। গভীর ভাবনা ও বোধ থেকে আমরা জীবনকে ভালোবাসতে শিখিনি। আর এ কারণেই সমস্যাগুলো সমাধানের পথ না খুঁজে আমরা এসবের সাথে নিজেদেরকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি। একসময় আবহমান রীতিনীতির বাইরে গিয়ে এই সমস্যাগুলো আমাদের সামাজিক জীবনের নিত্যকার নিয়মে পরিণত হয়।


মনে রাখবেন, জীবন হলো গভীর অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন কিছু অনুভুতি। যেখানে জনে জনে দৃষ্টিভঙ্গির বিস্তর ফারাক রয়েছে। এখন আপনাকে কী করতে হবে? নিজের ওপর জেঁকে বসা এসব সমস্যার মোকাবিলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে। নিয়মের বাইরে ঘটতে থাকা বিষয় মিটিয়ে দেওয়ার দৃপ্ত শপথ নিয়ে শক্তপায়ে দাঁড়াতে হবে। আল্লাহ রব্বুল আলামিন আপনাকে যে উদ্দ্যেশ্যে সৃষ্টি করেছেন, তার জন্য নিজেকে গড়ে তুলতে শুরু করুন। পতনের মুখে ঠেলে দেওয়া সমস্যার বেড়াজাল ছিন্ন করে এগিয়ে আসুন। সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে আপনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত তৈরি করুন। অবিস্মরণীয় হয়ে থাকার মতো কোনো অবদান রাখুন। জীবনকে আপনি যতটুকু ভালোবাসেন, তার জন্য ঠিক ততটুকু চেষ্টাই ব্যয় করুন। আত্মাকে পরিতৃপ্ত রাখার পথ খুঁজুন।

এভাবে পথ চললে আপনার সাফল্য নিয়ে আমি অনায়াসে বাজি ধরতে পারি। আপনি শুধু নিজের ওপর আস্থা রাখুন। জীবনের পাশে থেকে প্রিয় জীবনটাকে সমর্থন দিয়ে যান।


সুখের সন্ধান করুন

• আত্মতৃপ্তি

মানুষের জীবনে কাজ ছাড়াও গুরুত্ব দেওয়ার মতো আরো অনেক বিষয় রয়েছে। মনোযোগ নিবদ্ধ করতে হবে সেদিকেও। যেমন মনে করুন, আপনি ঘুরতে ভালোবাসেন। তাহলে এখন থেকেই বাৎসরিক ছুটি বা অবসরে কোথাও থেকে বেড়িয়ে আসার প্ল্যান করুন। এতে কী হবে? বছরের বাকি সময়টা আপনি এ নির্দিষ্ট ক্ষণের জন্য তুমুল আগ্রহে অপেক্ষার প্রহর গুনতে শুরু করবেন।

আপনি যদি সুরের মুর্ছনায় হারিয়ে যেতে পছন্দ করেন, তবে নিজেই মধুর সুরে তিলাওয়াত শুরু করুন। না পারলে তা শিখুন। আচ্ছা, আরেকটা কথা... আপনি যদি সুর-তরঙ্গে হারিয়ে যেতে এতই পছন্দ করেন, নিজেই হামদ-নাশিদ আর ইসলামি সঙ্গীত শেখায় ব্রত হচ্ছেন না কেন?

আমি আপনাকে যে বিষয়টি বোঝাতে চাচ্ছি, নিশ্চয় এতক্ষণে তা বুঝে গেছেন? আপনি আপনার আনন্দের এবং হালাল বিনোদনের ক্ষেত্রটি খুঁজে বের করুন। এর জন্য চেষ্টা করুন। কোনোরকম দ্বিধায় তাড়িত হবেন না। মাথায় রাখবেন, পার্থিব জীবনের আল্লাহর আনুগত্য করার পর আমাদের জীবনের অন্যতম লক্ষ হচ্ছে—সুখী হওয়া।


• লক্ষ্য নির্ধারণ

আনন্দের অবকাশ খোঁজার পাশাপাশি জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। লক্ষ্যহীন জীবন একইসাথে অর্থহীন ও বিরক্তিকর। জীবনে বড় কোনো লক্ষ্য না থাকলে রোজ রোজ কর্মক্ষেত্রে এমন শশব্যস্ততার কারণ কী? একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, শুধু কাজ করে যাওয়াই কারো জীবনের আসল লক্ষ্য হতে পারে না। বরং প্রতিটি কাজের পেছনেই একটি বৃহৎ স্বার্থ ও লক্ষ্য থাকা চাই। যা প্রতিনিয়ত আপনাকে কক্ষপথ ধরে মূল লক্ষ্যের দিকে তাড়িয়ে নেবে। শ্রম দিতে বাধ্য করবে।


যেমন ধরুন—আপনি কি নিজস্ব কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা প্রকল্প দাঁড় করাতে চান? তবে এর জন্য মূলধন ও অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে থাকুন। অথবা দুস্থদের জন্য সামাজিক কোনো প্লাটফর্ম তৈরি করতে চান? তাহলে যোগ্য ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থেকে অভিজ্ঞতা নিন। তাদের কাছ থেকে শিখুন—কীভাবে এমন প্লাটফর্ম পরিচালনা করতে হয়... তারপর নিজের সবটুকু প্রচেষ্টা ব্যয় করে কাজে নেমে পড়ুন। নিজের সঞ্চিত অভিজ্ঞতার সর্বোচ্চটুকু দিন। আর আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন। মনে রাখবেন—সফলতা একসময় আপনার পদচুম্বন করবে।


• স্বাস্থ্য-সচেতনতা

যা কিছুই করেন—সবসময় নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন। নিরোগ ও সুস্থ দেহ না থাকলে জীবনে সবকিছুই অর্থহীন হয়ে যায়। তখন এসব বিত্ত-বৈভব, যশ-সুনাম-সুখ্যাতি ও প্রাচুর্য কোনো আবেদন সৃষ্টি করতে পারে না। তাই নিয়মিত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত কাজের চাপ এড়িয়ে চলুন। হালকা শরীর চর্চা করুন। স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করুন। আমি আত্মবিশ্বাসের সাথে বলছি—ছোট ছোট এ টিপস মেনে চললে, আপনি প্রভূত উপকার পাবেন।


• ছোট ছোট বিষয়গুলো উদযাপন

খুব সাধারণ বিষয়গুলোও উদযাপন করুন। নিজের কিংবা অন্যের জীবনে ঘটে যাওয়া আনন্দের কোনো বিষয় উদযাপন করতে কার্পন্য করবেন না। সবসময় মাথায় রাখবেন, এসব ছোটখাটো বিষয়ই কিন্তু আপনার জীবনকে অর্থবহ, উপভোগ্য করে তোলে। জীবনের গতিময়তায় ছন্দ ঠিক রাখে। কর্মক্ষেত্রে কোনো প্রকল্প সফলভাবে শেষ হয়েছে... কিংবা সহজেই কোনো বিষয়ে সাফল্য ধরা দিয়েছে, তাহলে মন-প্রাণ খুলে তা উদযাপন করুন।


সন্তান বাইসাইকেল চালানো শিখেছে? কিংবা সাাঁতার শিখেছে? এসব বিষয়ও উদযাপন করুন। এসব কিছু উদযাপনের অর্থ এই নয় যে, আপনি বিশাল পার্টি দিয়ে বসবেন... বন্ধু-বান্ধব আর আত্মীয় স্বজন নিয়ে বড়সড় কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন...। বরং খুব সাধারণভাবে, ঘরোয়া পরিবেশে বা শুধুমাত্র পরিবারের লোকদের নিয়ে উদযাপন করুন। ব্যস, এটুকুই...



১০৯৫ বার পঠিত

লেখক পরিচিতি

পুরোদস্তুর কওমি ঘরানা থেকে ওঠে আসা একজন সাধারণ মানুষ। ফরমায়েশি অনুবাদক। নিজস্ব কোনো সৃজনশীলতা নেই।

মন্তব্য

৬ টি মন্তব্য করা হয়েছে
আবির রায়হান

আবির রায়হান

১৫ মার্চ, ২০২০ - ১৯:১৮ অপরাহ্ন

আমি আপনাদের নিয়মিত একজন পাঠক। সত্যি বলতে আজকের লেখাটা খুব খুব চমৎকার ছিল

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
ফাহাদ আব্দুল্লাহ

ফাহাদ আব্দুল্লাহ

১৫ মার্চ, ২০২০ - ১৯:৫৪ অপরাহ্ন

লেখাটা যখন পাবলিশ করছিলাম... অন্যরকম এক ভালো লাগা কাজ করছিল

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
বদরুদ্দোজা শোয়াইব

বদরুদ্দোজা শোয়াইব

১৫ মার্চ, ২০২০ - ১৯:৪২ অপরাহ্ন

চিন্তাধারার মোটিভেশনের সেরা একটা আর্টিকেল

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
আহমাদ ইউসুফ শরীফ

আহমাদ ইউসুফ শরীফ

১৫ মার্চ, ২০২০ - ২০:০৮ অপরাহ্ন

মূল লেখিকা বায়ান আবু দাইয়াহ। অভিবাসী ফিলিস্তিনি লেখিকা ও প্রবন্ধকা। আম্মান, জর্ডান।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

১৬ মার্চ, ২০২০ - ১৪:২৩ অপরাহ্ন

জাজাকাল্লাহ খাইরান

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
Tanzeena

Tanzeena

১৭ মার্চ, ২০২০ - ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন

Valo laglo

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

মন্তব্য করুন

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

এ রকম আরও কিছু লিখা

এই সাইটের বেটা টেস্টিং চলছে...