আপনি কি পরচর্চায় সময় অপচয় করছেন?

গীবত/পরচর্চা কী

জীবনে কোনো 'নরমাংসভোজী' মানুষের দেখা পেয়েছেন? সম্ভবত না। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা পরচর্চা করে বেড়ান। তাদের জন্য উপযুক্ত বিশেষণ কিন্তু এটাই। ইসলামে পরনিন্দাকে এভাবেই বর্ণনা করা হয়েছে। আমরা অনেকেই এটা জানি।

আল্লাহ আমাদেরকে সতর্ক করেছেন:

হে ঈমানদার লোকেরা, তোমরা বেশি বেশি ধারণা অনুমান করা থেকে দূরে থাকো। কারণ কোনো কোনো অনুমান গুনাহর অন্তর্ভুক্ত। একে অপরের গোপন বিষয় অনুসন্ধান করো না এবং পরস্পরের গীবত করো না। তোমাদের কেউ কি নিজের মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? তোমরা তো এমন কাজকে ঘৃনাই করো। আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবা কবুলকারী, পরম দয়াবান। সূরা হুজুরাত ৪৯:১২

রাসূল সা. বলেছেন,

গীবত হচ্ছে তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা যা সে অপছন্দ করে। একজন প্রশ্ন করলেন, "যা বললাম তা যদি সত্য হয়? জবাবে আল্লাহর রাসূল সা. বললেন- যদি সত্য হয় তবেইতো তুমি গীবত করলে, আর যদি সত্য না হয় তবেতো তুমি অপবাদ দিলে।


মানুষ কেন পরচর্চা করে

সাধারণত নিচের এক বা একাধিক কারণে মানুষ পরচর্চা করে থাকে।

  • অজ্ঞতা
  • আত্মবিশ্বাসের অভাব
  • হিংসা
  • একঘেঁয়েমী সময় কাটানো
  • অন্যকে মুগ্ধ/ প্রভাবিত করা
  • দুর্বল ঈমান


অন্যরা পরচর্চা করার মূহুর্তে আপনার করণীয়

অনেকসময় অনিচ্ছাসত্বেও আমরা অন্যদের পরচর্চার মধ্যে পরে যাই। হয়তো আন্তরিকভাবেই চাই এধরণের পরিস্থিতিগুলো এড়িয়ে চলতে। কিন্তু ঐ মুহূর্তে আলোচনাটা থামানো তো দূরের কথা, এর থেকে বেরিয়ে আসব কীভাবে- সেটাও যেন ঠিক বুঝে উঠতে পারি না। কিছু পরামর্শ দিচ্ছি যেগুলো এমন পরিস্থিতিতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ।


এক. যার গীবত করা হচ্ছে তার প্রশংসা শুরু করুন

যখনই আপনি তার পক্ষ নিয়ে নেবেন, দেখবেন আপনার ঈমান যেন বেড়ে গেছে। কেননা রাসূল সা. বলেছেন,

যে ব‍্যক্তি তার ভাইয়ের সম্মান রক্ষা করলো, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার মুখমন্ডলকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাবেন। তিরমিজি

কথা শুরু করার আগ মুহুর্তে হয়তো সঙ্কোচ কাজ করবে; তবুও কিছুটা সাহস সঞ্চয় করুন। একবার বলা শুরু করতে পারলেই হলো। তখন দেখবেনসঠিক কাজটা করতে পেরে নিজের কাছেই বেশ ভালো লাগছে। আর মানুষও উপলব্ধি করবে যে তারা একটা বাজে আলাপে মত্ত ছিল।


দুই. একজন আরেকজনের থেকে সত্যটা আহবান করুন

শুরুতে কাজটা একদমই ভয়ানক মনে হতে পারে। নিন্দারত মানুষগুলোকে বলুন- আপনি যে কথাগুলো বলছেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে গিয়ে তার সত্যতা যাচাই করব। সত্যি সত্যিই যেয়ে যাচাই করতে হবে না। কিন্তু এটাই সুন্নাহ। কারণ, পরস্পরের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারিতা ও অন্যের মর্যাদাহানির প্রতিরোধ করা আমাদের দায়িত্ব। বিশেষ করে তা যখন একেবারেই গুজবের ভিত্তিতে হয়।


তিন. বুঝিয়ে দিন যে এটা আপনাদের কারও মাথাব্যথার বিষয় না

এ কাজটা সম্ভবত সবচেয়ে কঠিন হয়ে পড়ে, যখন আমাদের বন্ধুদের একটা অংশ গীবতে লিপ্ত হয়। যাহোক, তাদেরকে বোঝাতে হবে যে অপরের বিষয়াশয় নিয়ে আলোচনা করাটা তাদের দায়িত্ব না, যদি না সেটা অনুমোদিত উপায়ে হয়। কাউকে যদি অন্যদের ব্যাপারে বাজে কথা বলতে নিরুৎসাহিত করতে পারেন, তখন এও বলে দিতে পারেন যে এসব আপনাকে আকর্ষণ করে না বা আপনার কাছে এগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক। অন্যদের সম্পর্কে আলোচনার চাইতে বরং নিজেদের সবার আগ্রহের একটা বিষয় খুঁজে বের করুন।

আল হাসান আল বাসরী বলেছিলেন ,

আল্লাহ কোনো বান্দার থেকে দূরে সরে গেছেন এটা বোঝার একটা উপায় হচ্ছে তিনি তাকে এমন সব ব্যাপারে ব্যস্ত করে দেন যেগুলো আদৌ তার চিন্তার বিষয় নয়।


চার. নিজেকে তাদের জায়গায় ভাবুন

এই গুজবটা আমাকে নিয়ে হলে আমার কেমন লাগত? পরচর্চাকারী অন্য কেউ হোক বা আমরা নিজেরা, এই প্রশ্ন আমাদের সততার অনুভূতিকে জাগিয়ে তুলতে পারে। আশা করা যায়, এটা তাকে অন্যের ব্যাপারে কথা বলা থেকে নিবৃত করবে।


পাঁচ. প্রসঙ্গ বদলে দিন

ওপরের প্রতিটা ধাপ চেষ্টা করার পরেও কেউ ফালতু আলাপচারিতায় মগ্ন হলে তখন কী করবেন? সেক্ষেত্রে কথা বলার মতো ভিন্ন কোনো বিষয় কিছু খুঁজে বের করুন; আপনার জানামতে তারা আগ্রহী এমন কোনো প্রসঙ্গ তুলে আনুন। অথবা তাদের নিজেদের সম্পর্কে কিছু বলতে বলুন।


ছয়. সরে যান

ওপরের সবকটা কৌশল চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলে কোনো একটা ওজর দেখিয়ে সেখান থেকে সরে পড়ুন। কারণ, আল্লাহ কুরআনে উপদেশ দিয়েছেন:

তুমি যখন দেখবে তারা আমার আয়াত নিয়ে বিদ্রুপাত্মক আলোচনায় লিপ্ত, তখন তাদের থেকে সরে যাও, যতক্ষণ না তারা প্রসঙ্গ বদলায়। শয়তান যদি তোমাদেরকে ভুলিয়ে দেয় তবে স্মরণ হবার পর জালিমদের সাথে আর বসবে না। আল আন'আম ৬:৬৮


নিজেকে কীভাবে পরচর্চা থেকে নিবৃত করবেন

বাজে আলাপের জন্যে দায়ী ব্যক্তিটা যখন আপনি নিজেই, তখন? একটু থামুন, কিছু উচ্চারণ করার আগে নিচের পরামর্শগুলো মনে করুন।


০১. স্মরণ করুন, গীবত ইসলামে একটা বড় গুনাহ এবং জাহান্নামের আগুনে প্রবেশের একটা কারণ।


০২. নিজেকে প্রশ্ন করুন- যার সম্পর্কে বলতে যাচ্ছি, তিনি কি এটা বলা পছন্দ করতেন? তিনি এখানে উপস্থিত থাকলে কি আমি কথাটা বলতাম? কথাটা বলে ফেলার পর কি নিজেকে ভালো ভাবতে পারব? প্রশ্নগুলো করার মাধ্যমে পরবর্তীতে অনুতাপময় ক্ষমা প্রার্থনার মর্মপীড়া থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন। সাথে এও মনে করে দেখুন, শেষ যে বার আবিষ্কার করলেন যে লোকজন আপনার সম্পর্কে বাজে কথা বলছে, তখন কেমন লেগেছিল আপনার।


০৩. আমি এখন একজন সম্পর্কে যা বলব, সেটা জানা কি কারও জন্য খুব উপকারী? মহান আল্লাহ বলেছেন:

সফল হয়ে গেছে মুমিনরা, যারা নামাজে বিনয় অবলম্বন করে ও অর্থহীন কথাবার্তা থেকে বেঁচে থাকে। সূরা মু'মিনুন ২৩:১-৩
আর যারা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়না এবং অসার কার্যকলাপের সম্মুখীন হলে আপন মর্যাদা রক্ষার্থে তা পরিহার করে। সূরা আল ফুরকান ২৫:৭২
তারা যখনই অর্থহীন কিছু শুনে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে চলে যায়। সূরা আল কাসাস ২৮:৫৫

আয়াতগুলো বর্ণনা করছে যে আমাদের কথাবার্তার বৈশিষ্ট্য কেমন হওয়া উচিত। এ ব্যাপারে সহায়ক একটা কৌশল হচ্ছে টেলিফোনে কথোপকথন সংক্ষিপ্ত করা, কেবল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েই চ্যাট সীমাবদ্ধ রাখা।


০৪. এটা জানাটা কি কারো জন্য গুরুত্বপূর্ণ? এমনকি যদি গুরুত্বপূর্ণ হয়ও, এটা কি আপনার মধ্যস্ততা দাবি করর? প্রায়শই শয়তানের একটা চাল হচ্ছে যখন আমরা গীবত করি, তখন অন্যকে ছোটো করার মাধ্যমে আমরা নিজেদের ব্যাপারে ভালো বোধ করি। এর পরিবর্তে বরং নিজেকে প্রশ্ন করুন না যে কীভাবে আমরা নিজেদের জীবন ও চরিত্র উন্নত করতে পারি।


০৫. কল্পনা করুন তো, যার সম্পর্কে আপনি কথাগুলো বলছেন তিনি এগুলো শুনতে পাচ্ছেন। জেনে রাখুন আল্লাহ তায়ালা সর্বদ্রষ্টা, সর্বশ্রোতা এবং সর্বজ্ঞাত। ঐ দিনটার কথা কারোই ভুলে যাওয়া উচিত না, যেদিন আমরা নিজেদের কর্মকান্ডের কৈফিয়ত দিতে বাধ্য থাকব। মনে রাখবেন, যে গীবত আপানার নিজের চরিত্রেও একটা খারাপ প্রভাব ফেলে।


০৬. বন্ধুত্বের সম্পর্কে সতর্ক হোন। যারা কথায় কথায় পরচর্চার দিকে চলে যায়, তাদের থেকে দূরে থাকুন। মনে করতে চেষ্টা করুন, আপনি সাধারণত কোন সময়গুলোতে নিজেকে পরচর্চায় আবিষ্কার করেন। ঐ সময়টাতে নিজেকে অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত রাখুন। আরো ভালো হয় যদি ঐ সময়ে বন্ধুদেরকে আমন্ত্রণ করে পরচর্চার মারাত্মক পরিণতি সম্পর্কে জানাতে পারেন।


০৭. আপনি কি এ ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত? মিথ্যা তথ্য ছড়ানো কিন্তু কুৎসা রটানোর নামান্তর। কারণ, এটা মুসলমানদের মধ্যে অনৈক্য ও বিরোধ সৃষ্টি করে। যেমন কুরআনে আমাদেরকে বলা হয়েছে,

মুমিন পুরুষরা ও মুমিন নারীরা যখন এই অপবাদের ঘটনা শুনল, তখন কেন তারা নিজেদের সম্পর্কে সুধারণা করল না, এবং কেন বলল না যে এটা তো এক সুস্পষ্ট অপবাদ। সূরা আন-নূর ২৪:১২


০৮. বদভ্যাসটা ত্যাগ করতে পারলে অনেক সময় বাঁচবে আপনার। অনেক পুরস্কারও অর্জিত হবে। এমনকি আপনার খারাপ কাজগুলোকে মুছে দেয়ার মতো অনেক সৎ কাজ আপনার আমলনামায় জমা হবে। এ বিষয়গুলো উপভোগ করুন। এতে যে কি পরিমান সময়, শক্তি ও ঈমানি উন্নতি অর্জিত হবে তা দেখে আপনি অবাক হবেন আর আখিরাতে তো আপনার জন্য পুরস্কার মজুত থাকছেই ইনশাআল্লাহ।


০৯. মানুষের মধ্যে ভালো গুণ খুজুন। যদি অনুপস্থিত কারও ব্যাপারে কথা বলতেই হয়, তাহলে তাদের কোনটায় কমতি আছে, সেটা না বলে তারা কতটা মহৎ, কতটা পরিশ্রমী,কতটা কৌতুকময় বা বিনয়ী সেগুলো বলুন। সবসময় অন্যের ত্রুটিটা খুঁজতে ব্যতিব্যস্ত, কিন্তু নিজেদেরটা না। অন্যের বেলায় বিচারক, নিজের বেলায় উকিল।


১০. যদি মনে হয় যে ব্যাপারটা আর কোনোভাবেই নিজের ভেতর রাখতে পারছেন না এবং এটা কাউকে বলতেই হবে, তাহলে ডায়েরিতে অথবা কোনো ব্যক্তিগত কাগজের টুকরাতে লিখে ফেলুন। দুদিন পরপর এটা বের করে পড়ুন। তারপর ভেবে দেখুন যে এখনো দুনিয়াকে এটা জানাতে চান কিনা যে একটা গোপনীয় বিষয় নিজের মধ্যে রাখতে পারার মতো যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য আপনি নন। মনের ঐ চিন্তা আর ঐ কাগজ- দুটোই ঝেড়ে ফেলুন। এর পরিবর্তে নিজের চিন্তাগুলোকে সুশৃঙ্খল করে অন্যের কল্যানে সঞ্চারিত করুন।


১১. অনুশোচনা করুন এবং থামার নিয়াত করুন। এই গুনাহটার শাস্তি নিয়ে যত আয়াত আর হাদিস আছে, সেগুলো আপনার ওয়ালপেপারে বা স্ক্রিনে রাখতে পারেন। আপনার কাজের সময়ে (যেখানে মানুষের কূটনীতি ঢুকে পড়ার আশংকা আছে)এগুলো আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিবে। পরিশেষে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান এবং প্রচুর কসরত করতে হলেও হাল ছেড়ে দিবেন না।

যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের উপর ঈমান রাখে সে যেন ভালো কথা বলে অন্যথায় চুপ থাকে। [আল-বুখারী]
এবং রাসূল সা. কে জিজ্ঞেস করা হলো যে , হে আল্লাহর রাসূল, মুসলিমদের মধ্যে কে সর্বোত্তম? তিনি বললেন: যার মুখ ও হাতের অনিষ্ট থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ। [আল বা বুখারী এবং মুসলিম]


আপনার নিজের সম্পর্কে পরচর্চা হলে

যারা আপনার সম্পর্কে পরচর্চা করবে, তাদের উপহার পাঠিয়ে দিন। কারণ, তারা তো আপনাকে অনেক পুরস্কার দিচ্ছে। কাউকে বলা হয়েছিল যে অমুক আপনার ব্যাপারে গীবত করেছে। তিনি সেই ব্যক্তিকে এক বাটি খেজুর পাঠালেন এই বার্তাসহ- আমি শুনেছি যে আপনি আপনার পুরস্কারগুলো আমাকে উপহার হিসেবে দিয়ে দিয়েছেন, আর আমি চাই এই উপকারের প্রতিদান দিতে। পুরোটা পরিশোধ করতে আমি অক্ষম। তাই দয়া করে আমাকে মাফ করবেন।

এমনটা আপাতদৃষ্টিতে হাস্যকর। কিন্তু এটা নিজের গীবতকারীকে বন্ধুতে পরিনত করতে পারার মতো এক বিশাল মর্যাদা আপনার জন্যে বয়ে আনতে পারে।

পরিশেষে বলব, নিজের অন্তরকে বিশুদ্ধ করার নিয়াত করুন। কার্যকর এই পরামর্শগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আজ থেকেই এই গর্হিত কাজে নিজের জীবনের অপচয় থামান।

৩৭৫ বার পঠিত

লেখক পরিচিতি

বোন জিহান আনোয়ার ন্যাশনাল ইয়েমেন নিউজপেপারে কর্মরত একজন সাংবাদিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী।

অনুবাদক পরিচিতি

ফারাহ তামান্না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে এখন গৃহিণী। মা হয়ে গেলাম সম্প্রতি। নারীর জন্য প্রচন্ড বিপদসংকুল হয়ে ওঠা এ জনপদে এক কন্যা শিশুর মা। মানবিক ও নিরাপদ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি। উম্মতের ঘুমন্ত অংশের জাগরণ ও মজলুম অংশের মুক্তির স্বপ্ন বুনি।

মন্তব্য

৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে
MD. Miraj

MD. Miraj

০৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ - ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

আপু আপনার লেখা পড়ে ভালো লাগলো। আপনার আগামীর পথচলা আরো সুগম হোক।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
রফিক

রফিক

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ - ১১:৫১ পূর্বাহ্ন

খুব ভাল নতুন লেখা চাই

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ - ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন

উপকৃত হলাম। জীবনে বাস্তবায়নের চেষ্টা করব ইনশাআল্লা।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

মন্তব্য করুন

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

এ রকম আরও কিছু লিখা

এই সাইটের বেটা টেস্টিং চলছে...