ইশকিস্তান-জালাল উদ্দিন রুমির জগৎ'

এক.

জামে মসজিদের পাশে প্রায়ই এক বুড়ো ফকিরকে ঘুরঘুর করতে দেখা যায়। উসকো খুসকো চুল, লম্বা দাড়ি, ময়লা পাগড়ী পরা বুড়োর বয়স ষাটের ওপরে। চোখ প্রায়ই লাল হয়ে থাকে।


বুড়ো প্রায় সারাদিনই রাস্তায় রাস্তায় ঘোরেন, দেখলে মনে হয় তিনি কী যেন খুঁজছেন। এমনিতে শান্ত হলেও কেউ কথা বলতে আসলেই বুড়ো একেবারে খেঁকিয়ে ওঠেন—এজন্য কেউ তাকে দেখতে পারে না। অদ্ভুত এই বুড়ো কারও কাছে ভিক্ষা করে না, কিছু চায়ও না; আবার কিছু করেও না। কিন্তু তাঁকে প্রায়ই তাজা ফলমূল খেতে দেখা যায়, এমন সব ফল—যা শহরের বাজারগুলোতে পাওয়া যায় না।


বুড়োকে একই সময় দুই বা তিন জায়গায় দেখা যায় প্রায়শই! এটা নিয়ে শহরের লোকেরা অবাক তো অবাক! এমনকী মুসাফির আর বণিকদের মুখে মাঝেমধ্যে তাঁকে একই দিনে আনকারা আর কোনিয়া শহরেও দেখার কথা শোনা গেছে।


বুড়ো পথে পথে ঘোরেন, আর একজনকে খোঁজেন। তাঁকে তিনি প্রায় কুড়ি বছর ধরে খুঁজছেন। প্রতিরাতে তিনি স্রষ্টার কাছে এই প্রার্থনা করে ঘুমাতে যান—জীবদ্দশায় যেন তিনি সেই কাঙ্ক্ষিত মানুষকে খুঁজে পান; যাকে নিজের যাবতীয় বিদ্যা তিনি শিখিয়ে যেতে পারবেন। যে তার আগুনে মেজাজ সহ্য করতে পারবে।


এই বুড়োর নাম শামস। তিনি তাবরিজ থেকে এসেছেন।


কোনিয়ার চিনি ব্যবসায়ীদের সরাইখানায় একদিন তিনি এক যুবককে দেখলেন। কেন যেন মনে হল, তিনি যাকে খুঁজছেন, তাঁকে এবার তিনি পেয়ে গেছেন। সেদিন রাতে শামস এক রহস্যময় কণ্ঠকে বলতে শুনলেন, ‘তুমি তোমার কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে পেতে পারো বটে, কিন্তু সেজন্য তোমাকে তোমার জীবন দিতে হতে পারে।’



দুই.

১৫ নভেম্বর, ১২৪৪।

মধ্যবয়সী সুদর্শন এক উলামা ঘোড়ায় চড়ে মাদ্রাসা থেকে বাজারে যাচ্ছেন। তাঁর পেছনে আসছে ছাত্রদের এক ছোটোখাটো মিছিল। তিনি যেখানেই যান, ছাত্ররা তার সাথে আঠার মতো লেগে থাকে। এই উলামা বেশ বিখ্যাত। আনাতোলিয়া তো বটেই; সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও ইরাকেও তার নাম-ডাক আছে। বালখ থেকে আসা এই উলামার নাম জালাল উদ্দিন মুহাম্মাদ ইবন বাহাউদ্দিন ওয়ালাদ


রাজপথে হঠাৎ তার ঘোড়ার লাগাম ধরলেন বুড়ো ফকির শামস। ফকিরের দু চোখ লাল, মুখ ধুলায় ধূসর।


শামস তাবরিজি উলামা জালালকে প্রশ্ন করলেন—‘এই উলামা, আগে আমার প্রশ্নের জবাব দাও, তারপর এখান থেকে তোমাকে আমি যেতে দেবো।’

জালাল বললেন, ‘বলুন শুনি কি আপনার প্রশ্ন।’

শামস বললেন, ‘বায়েজীদ বোস্তামি আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মধ্যে কে বড় সুফি?’

উলামা জবাব দিলেন, ‘এটা তো সহজ প্রশ্ন।’


শামস বললেন,

তুমি জানো, বায়েজীদ একবার বলেছিলেন—সমস্ত গৌরব আমার হোক। কী চমৎকারই না আমার এই গৌরব!’ আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলালাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, ‘আমার আরও ভালোভাবে অনুভব করা উচিত ছিল, আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করা উচিত ছিল।’ এবার বলো কে বড়ো সুফি?’


জালাল এবার জবাব দিলেন,

‘বায়েজিদ আল্লাহকে খুব সীমিতভাবে অনুভব করেছিলেন, তাই তিনি এক মুহুর্তের জন্য বলে উঠেছিলেন, সমস্ত গৌরব আমার হোক। আর মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রতি মুহুর্তেই তার রবের আরও নিকটবর্তী হতে থাকতেন। যতই নিকটবর্তী হতেন, ততই তিনি তার আগেকার অবস্থা নিয়ে আফসোস করতেন। তাই নবি কারিম মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামই সর্বশ্রেষ্ঠ সুফি।

আপাদমস্তক কালো আলখাল্লা পরা শামস ই তাবরিজির মনে হলো—তিনি তাঁর আকাঙ্ক্ষিত ছাত্রকে পেয়ে গেছেন। তিনি সরাসরি জালাল উদ্দিনের চোখের ভেতরে তাকালেন।


জালাল উদ্দিনের মনে হলো—তাঁর মাথার তালু থেকে আকাশের দিকে ধোঁয়া উঠছে, ধোঁয়া উঠতে উঠতে তা যেন জান্নাতকে স্পর্শ করছে। তিনি জ্ঞান হারিয়ে ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন। জ্ঞান ফেরার পর জালাল উদ্দিন শামস ই তাবরিজিকে নিজের শাইখ হিসেবে গ্রহণ করলেন। তারা প্রায় সব সময়েই একসাথে থাকতেন, দিনরাত তাদের ভেতর অত্যন্ত রহস্যময় ভাষায় কথাবার্তা হতো।


শামস ই তাবরিজির সাথে জালাল উদ্দিন চল্লিশ দিন ধরে নির্জনে সাধনা করেছিলেন। এই চল্লিশ দিন সাধনার পর থেকে জালাল উদ্দিন হয়ে গেলেন পুরোপুরি অন্য মানুষ। প্রায় আড়াই বছর ধরে বিভিন্ন বিদ্যা শেখানোর পর একদিন হঠাৎ উধাও হয়ে গেলেন শামস ই তাবরিজি; তাঁকে আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।


শামস ই তাবরিজীর এই হারিয়ে যাওয়ার কষ্ট উলামা জালাল উদ্দিন মুহাম্মাদকে পরিণত করল এক বিরহকাতর কবিতে। ইনিই জালাল উদ্দিন মুহাম্মাদ রুমি আল বালখি। মানুষ তাঁকে মাওলানা বলে ডাকে।


তিন.

মাওলানা রুমি তার প্রিয়তম বন্ধু ও শাইখ শামসকে হারিয়ে পাগলপ্রায়! শামসকে খুঁজতে পথে নামলেন। দামিশকের দিকে যাওয়ার সময় তার মুখ থেকে বেরিয়ে এল,

Why should I seek? I am the same as He. His essence speaks through me. I have been looking for myself!

তারপর তিনি থেমে গেলেন, ফিরে চললেন কোনিয়ার দিকে। কোনিয়াতে ফেরার পরে রুমির মুখ থেকে একের পর এক কবিতার লাইন বেরিয়ে আসতে লাগল। এসব কবিতার বেশিরভাগ তার ছাত্ররা লিখে রাখত, অনেকেই মুখস্ত করে রাখত। তাঁর কাব্যের প্রথম সংকলন দিউয়া-ই শামস-ই তাবরিজি। এতে আছে প্রায় ৪৪০০০ লাইন কবিতা।


রুমির জীবনের সেরা কাজ বলা হয় ‘মসনবি-ই-মানাউই’-কে। শিষ্য হুসামউদ্দিন চেলেবি লেখ্যরুপে নিয়ে আসার অনুরোধ করলে তিনি অনুমতি দেন। মসনবির ভূমিকায় মাওলানা বলেছেন,

This is the book of the Masnavi, and it is the roots of the roots of the roots of the (Islamic) Religion and it is the explainer of the Qur'ân.

তাঁর মুখ থেকে একের পর এক ঝরে পড়া ৫০০০০ লাইনের একটিও বাদ পড়েনি ছাত্রদের কলমের গ্রাস থেকে। মসনবি সম্পর্কে প্রবাদ আছে—কুরআন যদি ফারসি ভাষায় নাজিল হতো, তবে মসনবিকে কুরআন বলে ভুলভাবে চালিয়ে দেওয়া যেত। প্রকৃতপক্ষে মসনবির ভাব ও গড়ন, বর্ণনারীতি নেওয়া হয়েছে কুরআন আর হাদিস থেকে। রুমি বলেন,

I am the servant of the Qur'an as long as I have life. I am the dust on the path of Muhammad, the Chosen one. If anyone quotes anything except this from my sayings, I am quit of him and outraged by these words.

ইরানী গবেষক হাদি আল হারিরি দেখিয়েছেন, মসনবির প্রায় ৬০০০ লাইন আসলে কুরআনের আয়াতের প্রায় সরাসরি অনুবাদ। এজন্যেই ইরানে চালু আছে আরেকটি প্রবাদ বাক্য—‘রুমি রাসুল নন, তবে তারও একটা কিতাব আছে।’


চার.

রুমিকে বলা হয় ভালোবাসার কবি। তার একটা বিখ্যাত উদ্ধৃতি হচ্ছে,

There are many ways to find Allah, Amongst them,I have chosen love.

ইসলামের ভয়কেন্দ্রিক নেগেটিভ প্রচারণার চাইতে তিনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন ভালোবাসার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনকে। মাওলানার মতে, হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসেছিলেন সমগ্র মাখলুকাতের জন্য আল্লাহর অনুগ্রহ হয়ে, তাই তার শিক্ষাকে শুধুমাত্র নিজেদের জন্য নির্দিষ্ট করে নেওয়া সংকীর্ণ চিন্তার পরিচায়ক, এই শিক্ষা সবার জন্য।

The Light of Muhammad does not abandon a Zoroastrian or Jew in the world. May the shade of his good fortune shine upon everyone! He brings all of those who are led astray into the Way out of the desert.

মাওলানা শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে ভালোবাসতে, সৃষ্টিকে ভালোবাসার মাধ্যমে স্রষ্টার কাছে যেতে। তাই তিনি লিখেছেন,

On the seeker’s path, wise men and fools are one. In His love, brothers and strangers are one. Go on! Drink the wine of the Beloved! In that faith, Muslims and pagans are one.

রুমি দেখিয়ে গেছেন, ইসলামকে অনুসরণ করেই কীভাবে শত মত, ধর্ম, ভাষা ও গোষ্ঠীর মানুষ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করতে পারে।


তুরস্ক, আফগানিস্তান আর ইরান—এই তিন দেশের তিনি জাতীয় কবি। তুর্কিরা তাকে ডাকে মেভলানা, আফগানরা মাওলানা আর ইরানীরা মৌলভি। পাকিস্তানের জাতীয় কবি আল্লামা ইকবাল এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামও মাওলানা রুমি দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত।


রুমির ভালোবাসার কবিতা ছাড়িয়ে গেছে ধর্ম, দেশ, ভাষা আর সংস্কৃতির সীমানা। আজ ৮০০ বছর পরেও রুমির কবিতা পড়া হয় ফারসি, তুর্কি, আরবি, উর্দু, স্প্যানিশ, জার্মান, ফ্রেঞ্চ, ইংরেজি, রুশসহ পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি জনপ্রিয় ভাষায়। যেমনটা তিনি ভাবতেন,

Love, however, has its own many other dialects.


একজন মুসলিম কবি হওয়ার পরেও তার লেখা গজল শোনা যায় হিন্দুর মন্দির, শিখের গুরুদুয়ারা, জৈন আশ্রম, বৌদ্ধ মঠ, খ্রিস্টানের গির্জা আর ইহুদির সিনাগগসহ সর্বত্র। ভালোবাসা থেকে রুমি কাউকে বঞ্চিত করতে চাননি। তিনি বলেছেন,

Come, come, whoever you are, Wanderer, idolater, worshiper of fire, Come even though you have broken your vows a thousand times, Come, and come yet again. Ours is not a caravan of despair.

তাই হয়তো আজ তাঁর ভালোবাসার আহবান ছড়িয়ে গেছে সবার ভেতর। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ইউএস বিলবোর্ড টপচার্টের অল টাইম টপ টোয়েন্টিতে আছেন রুমি। আটশো বছর পর তাঁর লেখা গজল আর কবিতায় তিনি উড়ছেন আটলান্টিকের ওপারের মার্কিন মুলুকে।


গত কুড়ি বছরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বাধিক পঠিত কবির নাম রুমি—মাওলানা জালাল উদ্দিন মুহাম্মাদ রুমি। তাঁর প্রভাব পশ্চিমা শোবিজ তারকাদের মধ্যেও পৌঁছে গেছে! ম্যাডোনা, ডেমি মুর, হিউ গ্র‍্যান্ট, কেট উইন্সলেটের মুখে শোনা যায় তাঁর কবিতা। বেয়ন্স নোয়েলস নিজের সন্তানের নাম রেখেছেন রুমি।


রুমির শক্তি আসলে ভালোবাসার শক্তি; এই শক্তিকে অন্য কিছুই স্পর্শ করতে পারে না।


৩০ সেপ্টেম্বর ১২০৬ সালের শরতে মাওলানা রুমির জন্ম। ইন্তেকাল ১২৭৩ সালের ১৭ ডিসেম্বরে। ইন্তেকালের কিছুদিন আগেই তিনি বুঝতে পারেন তাঁর মৃত্যুর সময় এসে গেছে। তিনি সন্তান ও ছাত্রদের জানিয়ে দেন তাঁর মৃত্যুর প্রস্তুতি নিতে। এসময়েও তাঁর কাব্য রচনা থেমে থাকেনি। মাওলানার কবরের এপিটাফে লেখা,

If your thought is a rose, you are a rose garden. If your thought is a thorn, you are fuel for the fire. আপনার চিন্তাগুলো গোলাপ হলে আপনি গোলাপের বাগান, আপনার চিন্তাগুলো সূচালো কাঁটা হলে আপনি আগুনের জ্বালানী।

১৪৭৫ বার পঠিত

লেখক পরিচিতি

প্রিন্স মুহাম্মাদ সজল। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইন্সটিটিউট-এ। বিজ্ঞানের ছাত্র হলেও ইতিহাস, ভূগোল, দর্শন ও সমসাময়িক আন্তর্জাতিক রাজনীতির উৎসাহী পাঠক। লেখাতেও এসবের ছাপ স্পষ্ট। এর বাইরে তিনি ফুটবল নিয়ে লেখালিখি করেন শখের বশে। দেশের বৃহত্তম ফুটবল কমিউনিটিগুলোর একটি ফুটবল ম্যানিয়াক্স অফ বাংলাদেশের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও তাঁর পরিচিতি আছে। লেখক স্বপ্ন দেখেন সাম্য, ইনসাফ ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এক পৃথিবীর; যেখানে ভ্রাতৃত্ব আর ভালোবাসার বন্ধন ভিন্ন ভিন্ন মত-পথের মানুষকে একই সুতোয় বেঁধে রাখবে।

মন্তব্য

১১ টি মন্তব্য করা হয়েছে
আবু সাঈদ

আবু সাঈদ

০২ অক্টোবর, ২০১৯ - ১৯:৩৯ অপরাহ্ন

মাওলানা রুমিকে ছড়িয়ে দিতে হবে সবার মাঝে। এজন্য প্রয়োজন তাঁর লেখাগুলোর প্রকৃত বাংলা অনুবাদ। অনেকের কাছে ভালোবাসার কবি হলেও অপঠিত থেকে যান ভাষাজ্ঞানের অভাবে।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

০২ অক্টোবর, ২০১৯ - ২৩:১০ অপরাহ্ন

মূল্যবান উক্তি!!অনুবাদক ও লেখকের জন্য দোয়া!!

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
ফাতিহ সাত্তার

ফাতিহ সাত্তার

০৩ অক্টোবর, ২০১৯ - ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

ওয়াও! চিন্তাধারাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। দারুণ দারুণ সব আর্টিকেল পাচ্ছি। প্রতিদিন আর্টিকেল চাই। লেখকের হাত খুব ভালো।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

০৩ অক্টোবর, ২০১৯ - ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন

Mashaallah

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

০৩ অক্টোবর, ২০১৯ - ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

মাওলানা রুমি সম্পর্কে অসাধারণ। অসংখ্য ধন্যবাদ চিন্তাধারা ডটকম কে।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
Abul Hasan

Abul Hasan

০৩ অক্টোবর, ২০১৯ - ১৫:৪১ অপরাহ্ন

Jazakallohu khairan

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

০৩ অক্টোবর, ২০১৯ - ১৯:৫৪ অপরাহ্ন

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
Samrat

Samrat

০৩ অক্টোবর, ২০১৯ - ২০:২৬ অপরাহ্ন

The west does read Rumi divorced from his roots- Islam. Another orientalist intellectual dishonesty is at play.

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
রকিবুল হাসান

রকিবুল হাসান

০৮ অক্টোবর, ২০১৯ - ২০:০৪ অপরাহ্ন

ধন্যবাদ। লেখকের জন্য অনেক শুভকামনা এবং দোয়া রইলো।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
রফিক

রফিক

০৯ অক্টোবর, ২০১৯ - ০০:২৮ পূর্বাহ্ন

খুব সুন্দর

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
দ্বীন ইসলাম

দ্বীন ইসলাম

০৯ অক্টোবর, ২০১৯ - ১৭:৫৪ অপরাহ্ন

ধন্যবাদ,, উনার নাম অনেক শুনেছি কিন্তু বাস্তব পরিচয় পাইনি, শুকরান

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

মন্তব্য করুন

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

এ রকম আরও কিছু লিখা

এই সাইটের বেটা টেস্টিং চলছে...