উমর খৈয়াম কী নাস্তিক ছিলেন?

উমর খৈয়াম কী নাস্তিক ছিলেন?

মুহাম্মাদ আরমান ফিরমান


উমর খৈয়াম কী নাস্তিক ছিলেন? আল্লামা ইকবালের ওয়েবসাইটে দেখতে পেলাম বি বি রবিনসন একটি আর্টিকেলে দাবি করেছেন যে, উমার খৈয়াম ইতিহাসের প্রথম বস্তুবাদী নাস্তিক ছিলেন। পরবর্তীতে দেখতে পেলাম নাস্তিকদের বিভিন্ন ইংরেজি ওয়েবসাইটেও তাকে নাস্তিক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। বাঙালি নাস্তিকরাও তাদের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে একই কথা প্রচার করেছে। আর প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করছে তার কবিতার (রুবাই) কিছু পঙক্তি। এদিকে আবার ফিলিপ কে হিট্টিও তাকে মুক্তমনা বলছেন! চলুন, তার সংশয়যুক্ত সেই কবিতার ইংরেজি অনুবাদ হতে কিছু অংশ দেখে নিই—

The temple I frequent is high, A Turkish-vaulted dome the sky,

That spans the world with majesty. Not quite a Muslim is my creed,

Nor quite a Giaour; my faith indeed May startle some who hear me say

I'd give my pilgrim staff away And sell my turban,

for an hour Of music in a fair one's bower.

I'd sell the rosary for wine, Though holy names around it twine.

And prayers the pious make so long Are turned by me to joyous song;

Or, if a prayer I should repeat, It is at my beloved's feet.

They blame me that my words are clear; Because I am not what I appear; ...


Why, all the Saints and Sages who discuss’d Of the Two Worlds so wisely they art thrust Like foolish Prophets forth;

their words to Scorn Are scattered, and their Mouths are stopt with Dust …

Oh, threats of Hell and Hopes of Paradise! One thing at least is certain This Life flies;

The Revelations of Devout and Learn’d Who rose before us, and as Prophets burn’d,

Are all but Stories, which, awoke from Sleep They told their comrades, and to Sleep return’d.


কবিতা সম্বন্ধে অভিজ্ঞতা না থাকায় কোনো কবিতার অন্তর্নিহিত অর্থই বুঝতে পারছি না। তবে এতটুকু নিশ্চিতভাবে বুঝতে পারছি যে, শুধুমাত্র কবিতা দেখে একজনের বিশ্বাসের মতো শক্ত ও স্পর্শকাতর কোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া পাগলামি বৈ আর কিছুই নয়। ব্যাপারটি উপলব্ধি করা খুবই সহজ, তারপরও কিছু সংখ্যাক বড়োমাপের স্কলার কী বুঝে যে কবিতার উপর ভিত্তি করে উমর খৈয়ামকে নৈরাশ্যবাদী দার্শনিক ও অজ্ঞেয়বাদী বানিয়ে দিয়েছেন, তা আমার মাথায় ধরছে না। আসুন, কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবিতার কিছু অংশের প্রতি নজর বুলিয়ে নিই—

বল,মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’

চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি’

ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া

খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া,

উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!

মম, ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!


এবার আসুন, আল্লামা ইকবালের কবিতা১৩ থেকেও কিছু অংশ দেখি, আল্লাহকে উদ্দেশ্য করে কবি বলেছিলেন—

Design a new pattern Create a more perfect Adam

This making of playthings of clay Is not worthy of God,

the creator If the pattern is poor What does repetition achieve?

How can the cheapness of man Meet your approval?


এবার বলুন, কাজী নজরুল ইসলাম কি নাস্তিক ছিলেন? আল্লামা ইকবালকেও কী নাস্তিক বানিয়ে দেওয়া হবে?! কবিতায় চয়নকৃত শব্দ এবং এর মর্মার্থ আলাদা হওয়া এবং তা ভিন্ন অর্থ বহন করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কখনো কখনো শব্দের অর্থ তো কবিতায় সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থও বহন করে, এটা আসলে ভাষা ও সাহিত্যের মারপ্যাঁচের বিষয়। এর ভিত্তিতে কারো বিশ্বাস সম্বন্ধে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া কতটুকু যৌক্তিক? কাজী নজরুল ইসলাম একই কবিতায় এক জায়গায় লেখেন, ‘আমি উন্মাদ! আমি উন্মাদ!’—তো যারা কবিতা দেখে উমর খৈয়ামকে নাস্তিক বলেন, তাদের তো এখন কাজী নজরুল ইসলামকে পাগল বলা উচিত, তাই নয় কী?


আসলে যেসব স্কলাররা উমর খৈয়ামের কবিতা দেখে সিদ্ধান্ত নেন, তারা বলেন—উমর খৈয়াম অজ্ঞেয়বাদী আর যারা তার প্রাবন্ধিক লেখা দেখে সিদ্ধান্ত নেন, তারা বলেন—উমর খৈয়াম শুধু আস্তিকই নন, বরং একজন প্র্যাক্টিসিং সুফি মুসলিম ছিলেন! কেন? কেন এমনটা মনে হয় তাদের? আসলে, সকলে জানে যে উমর খৈয়াম কবি ছিলেন, বিজ্ঞানী না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, উমর খৈয়াম বিজ্ঞানী ছিলেন, কবি না। উমর খৈয়াম যে নিজ জীবনকালে কবিতা লিখেছিলেন, এর কোনো সরাসরি প্রমাণ নেই।১৪ Hans Heinrich Schaeder নামের একজন স্কলার বলেছেন—‘মধ্যযুগের ফারসি কবিদের তালিকা হতে উমর খৈয়ামের নাম বাদ দেওয়া উচিত। কারণ বর্তমানে আমার জানামতে তার ১টি বাদে আর কোনো এমন কবিতা নেই, যা বাস্তবিক অর্থেই উমর খৈয়াম লিখেছেন বলে বিশ্বাস করা যায়।


গবেষণায় দেখা গেছে—উমর খৈয়ামের সময়ের কোনো রুবাইয়াত-ই আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তাহলে বর্তমান সময়ে উমর খৈয়ামের এত রুবাইয়াত (চার পঙক্তির কবিতা) কোত্থেকে এলো? তার সময় কি তিনি ছাড়া আর কোনো কবিই ছিলেন না, যারা রুবাইয়াত পারতেন? ছিলেন... অনেক ছিলেন! তাহলে তাদের রুবাইয়াত কবিতা বর্তমান সময় পর্যন্ত ধারাপরম্পরায় পৌঁছাল না, শুধু উমর খৈয়ামেরটাই কেন পৌঁছালো?


এখন অনেকে বিষয়টা না বুঝেই প্রশ্ন করে বসবেন—‘তাহলে কি কবি ছিলেন না? এটা আবার কথা!’ এ প্রশ্নের উত্তরেই গবেষকরা বলেছেন যে, ‘উমর খৈয়াম কবি ছিলেন। কিন্তু তার প্রমাণ এটা নয় যে, তার রুবাইয়াত আমাদের কাছে পৌঁছেছে। বরং তার প্রমাণ হিসাবে বলা হয়—তার মৃত্যুর ৫০ বছর পর ইমাদুদ্দীন ইসফাহানি তাকে খুরাসানের বিখ্যাত কবি বলে উল্লেখ করেন। কিন্তু তার সমসাময়িক স্কলারদের হিসাবকৃত তার কবিতার সংখ্যা সর্বোচ্চ ৬টি। অর্থাৎ বিশ্বস্তসূত্রে ৬টার কথা পাওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ৬ থেকে লাফ মেরে সংখ্যা কীভাবে ১২০০ হল, সেটাই প্রশ্ন! সবচেয়ে বিখ্যাত পাণ্ডুলিপি অক্সফোর্ডের বোডলেইন লাইব্রেরীর টি-তে রুবাইয়াতের সংখ্যা ১৫৮। অনেক কষাকষি করার পর বোঝা যাচ্ছে যে, এখানে মহাকবি হাফিজ, আত্তার, দার্শনিক ইবনে সিনা, ইমাম গাজালি এবং আরও অনেকের কবিতা রয়েছে। দিওয়ান সচরাচর বহুকাল অবিকৃত থাকে, কিন্তু রুবাইয়াতের যে ধারা, তা পরিবর্তিত হয়ে যাওয়ার আশংকাই বেশি হয়ে থাকে।


এ ব্যপারে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন—ক্রিস্টেনসেন। তিনি ১২১টি কবিতাকে উমর খৈয়ামের রচিত বলে ঘোষিত করেন। কিন্তু তিনি প্রথম শ্রেণীতে রাখা ১২ টি কবিতার সত্যতার গ্যারেন্টি পর্যন্ত দিতে পারছেন না! এসব কবিতা মূলত তদানীন্তন সময়ের পারস্য ভাবধারা ও উমর খৈয়ামের চিন্তাধারার সাথে মিল রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও সে সময়ের পারস্য ভাবধারা আর উমরের চিন্তাধারা—দুটির ব্যাপারেই স্কলারদের মাঝে মতবিরোধ আছে! পরবর্তীতে ক্রিস্টেনসেন নিজেই বলেন যে, রুবাইয়াতগুলো যে খাইয়ামের, তা প্রমাণ করা অসম্ভব কাজ। ক্রিস্টেনসেনের সংগ্রহকে শুধুই একটি বিশেষ কাব্যধারার একত্রকরণ হিসেবে বুঝতে হবে। বেশিরভাগ স্কলার উমর খৈয়ামের কবিতা দেখেই তাকে নিরাশাবাদী দার্শনিক ও অজ্ঞেয়বাদী বানিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু এটি খুবই মারাত্মক ভুল। সমস্যাটি সৃষ্টি হয়েছে মূলত তার প্রাবন্ধিক লেখা না দেখে শুধু কবিতা নিয়ে গবেষণার কারণে। এটিও হয়েছে কবিতাগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ার কারণে। ক্রিস্টোফার হিচেন্সও দেখলাম কবিতার দলিল-প্রমাণের বস্তা দিয়ে উমরকে নব্য নাস্তিক্যবাদের (New Athesim)-এর অনুসারী সাব্যস্ত করে ছেড়েছে! অথচ কবিতা কখনো একজন মানুষের বিশ্বাস যাচাইয়ের মাপকাঠি হতে পারে না। যেতে হবে প্রাবন্ধিক পর্যালোচনায়। তবে তার আগে বলে নিচ্ছি, বার্লিনে সত্যি উমর খৈয়ামের নামে অস্তিত্ববাদ সংক্রান্ত একটি পাণ্ডুলিপি আছে। আবার নাজমুদ্দীন দায়া নামের এক ইতিহাসবিদ উমরের মৃত্যুর ১০০ বছর পরে লিখেছেন—‘উমার একজন নিরাশাবাদী দার্শনিক, বস্তুবাদী ও নাস্তিক ছিলেন।’ আমরা উমর খৈয়ামের আস্তিক হওয়ার ব্যাপারে এখন এমন কিছু প্রমাণ উল্লেখ করব, যার সামনে আশা করি—যারা তাকে ঠুনকো কিছু কথা বলে নাস্তিক বানিয়ে দেয়, তাদের কথার কোনো মূল্যই থাকবে না।


উমর খৈয়াম নিজেই লিখে,ন—


“.... এটিই (সুফিবাদ) সর্বোত্তম পন্থা। কারণ আল্লাহর কোনোরূপ উৎকর্ষ এর থেকে দূরে নেই। আর এর সামনে কোনো বাধা বা পর্দাও নেই। সুতরাং যা-ই (অজ্ঞতা) মানুষের কাছে আসে, তা তার প্রকৃতির অবিশুদ্ধচারিতার জন্য। যদি পর্দা উঠিয়ে নেওয়া হয় এবং বাধা সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সত্য যেমন আছে তেমন দৃষ্টিগোচর হয়ে উঠবে। আর পথিকৃৎ (নবি মুহাম্মাদ)—যার উপর বর্ষিত হোক শান্তি—এটিই ইঙ্গিত করেন, যখন তিনি বলেন, সত্যি, তোমার অস্তিত্বের দিনগুলোতে থাকা অবস্থায় উৎসাহ আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে, তুমি কি তা অনুসরণ করতে চাও না? যুক্তিবাদীদের বলে দাও যে, তাদের জন্য—যারা আল্লাহকে ভালোবাসে (অর্থাৎ মারেফাতের খোঁজে থাকা সুফি বা সালিক), তাদের অন্তরজ্ঞান হচ্ছে পথপ্রদর্শক, অপ্রাসঙ্গিক ভাবনা নয়”


ইতিহাসবিদ ইবনে কিফতি লিখেন—

উমর খৈয়াম এক সময় বিশ্বাসের ব্যাপারে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন; কিন্তু পরবর্তীতে খাঁটি মুসলমানে পরিণত হন। হজ্জে যান এবং ফিরে আসার পর সকাল-সন্ধ্যা মসজিদে গমন করতেন। শামস তাবরিজ (জালালুদ্দীন রুমির মুর্শিদ ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক) এবং আরও কিছু সংখ্যক সুফি উমর খৈয়ামকে পছন্দ করতেন না। এটা অস্বাভাবিক নয়, কারণ ইবনে সিনাকেও তার জীবদ্দশায় কাফির হওয়ার অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি হাদিস স্কলার ইবনে হিব্বানকে পর্যন্ত নাস্তিক বলে শহর থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। উমর খৈয়াম নিজের বিশ্বাস প্রমাণের জন্যই হজ্জ করতে যান।১০ উমরের জীবনীগ্রন্থের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হচ্ছে—আবুল হাসান আলী বায়হাকির লেখা গ্রন্থ। তিনি উমর খৈয়ামের মৃত্যুর বর্ণনা দেন এভাবে, ‘.... তিনি জোহরের সালাত আদায় করলেন। ইশার সালাত পর্যন্ত কিছুই খেলেন না। একসময় তিনি সিজদাবনত হলেন এবং বললেন, ‘ইয়া আল্লাহ! আমি তোমায় ততটুকু জানি, যতটুকু আমার ক্ষমতা আমাকে সুযোগ দেয়, মাফ করে দাও আমাকে। কারণ আমি জানি, তোমার (দেখানো) পথ-ই তোমার প্রতিপথ।১০


শাহরাযূরির বর্ণনাও প্রায় একই রকম। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, উমর খৈয়াম সিজদারত অবস্থায় তার সত্য-সন্ধানী সময়কালে কৃত পাপের জন্য মাফ চান এবং সে অবস্থায়ই পরকালের পথে পাড়ি জমান।১১ তো এখানে আমরা উমর খৈয়ামের প্রাবন্ধিক লেখা ও তার সমসাময়িক ইতিহাসবিদদের মতামতগুলো সংক্ষিপ্তভাবে পর্যালোচনা করে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছি যে, উমর খৈয়াম কোনোভাবেই নাস্তিক ছিলেন না, এমনকি তিনি অজ্ঞেয়বাদীও ছিলেন না। বর্তমান সময়ের স্কলারদের মাঝে অবশ্য এ নিয়ে এখনও তুমুল বিতর্ক রয়ে গেছে। তবে আশা করি, আমাদের সংক্ষিপ্ত এই আলোচনা পড়ার পর কারো মনে আর এমন সন্দেহ থাকবে না যে, উমর খৈয়াম একজন খাঁটি মুসলমান হওয়া ছাড়াই মৃত্যুবরণ করেছিলেন।১২


Notes:

1. Existentialist: যারা দাবি করে যে আমাদের অস্তিত্ব আগে এবং উদ্দেশ্য পরে। সহজ ভাষায় এরা বলে যে আমাদের জীবনের কোনো উদ্দেশ্য নেই; পরবর্তীতে আমরা নিজেরাই নিজেদের উদ্দেশ্য ও জীবনের অর্থ সেট করে নিই। সাধারণত অস্তিত্ববাদীরা নাস্তিক হয়, তবে আস্তিক অস্তিত্ববাদীও রয়েছেন, যেমন কির্কেগার্ড। আস্তিক অস্তিত্ববাদীরা দাবি করে যে ঈশ্বর আমাদের কোনোরূপ উদ্দেশ্য ব্যতিরেকেই সৃষ্টি করেছেন।

2. Phillip K. Hitti, History of the Arabs (MacMillan Education Ltd, Tenth Edition, 1970) p: 377

3. Seyyed Hossain Nasr, Science and Civilization in Islam (ABC International Group, Inc. 2001) p: 33

4. সম্পাদনা পরিষদ, ইসলামী বিশ্বকোষ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, দ্বিতীয় সংস্করণ, জুন ২০০৪) খণ্ডঃ ৬, পৃষ্ঠাঃ ১৯৫ – ২০১

5. Francois De Blois , Persian Literature - A Bio-Bibliographical Survey: Poetry of the Pre-Mongol Period (2004), p. 307

6. Encyclopedia Iranica

7. পৃথিবীর যেসব লাইব্রেরীতে উমর খৈয়াম নামে থাকা রুবাইয়াত পাওয়া গিয়েছে, তা মিলিয়ে Jessie E. Cadell হিসাবটি করেছেন।

8. Seyyed Hossain Nasr, Science and Civilization in Islam (ABC International Group, Inc. 2001) p: 34

9. Ross, E. (1898). Al-Musaffariyé: Containing a Recent Contribution to the Study of 'Omar Khayyam. Journal of the Royal Asiatic Society of Great Britain and Ireland, 349-366.

10. S. H. Nasr and M. Aminrazavi (edt) An Anthology of Philosophy in Persia (I.B. Tauris publishers, 2008) vol. 1, p: 474; Meyerhof, M. (1948). 'Ali al-Bayhaqi’s Tatimmat Siwan al-Hikma: A Biographical Work on Learned Men of the Islam. Osiris, 8, 122-217.

11. সম্পাদনা পরিষদ, ইসলামী বিশ্বকোষ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, দ্বিতীয় সংস্করণ, জুন ২০০৪) খণ্ডঃ ৬, পৃষ্ঠাঃ ২০৯

12. বিতর্কের খাতিরে যদি ধরেও নিই যে উমর খৈয়াম মুসলিম ছিলেন না, তবুও কিছুই যায় আসে না। তার কাজের পিছনে ক্রেডিট শেষ পর্যন্ত ইসলামই পায়। পড়ুনঃ মুসলিম বিজ্ঞানীদের ধর্মবিশ্বাস কিরকম ছিল?: http://armenfirman.website2.me/writings/faith-of-muslim-scientists

13. K.G. Saiyidain, 1938, Iqbal’s Educational Philosophy

14. "BBC Radio 4 - In Our Time, The Rubaiyat of Omar Khayyam". BBC. Retrieved 2019-10-14.






১১৮৯ বার পঠিত

লেখক পরিচিতি

মন্তব্য

৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে
ফাহাদ আব্দুল্লাহ

ফাহাদ আব্দুল্লাহ

১৬ নভেম্বর, ২০১৯ - ১৭:১৩ অপরাহ্ন

অনেকদিন পর এমন একটা মাস্টারপিস লেখা পড়ে ভালো লাগলো। সংশয় দূর হলো...

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
গোলাম রববানী

গোলাম রববানী

২৪ নভেম্বর, ২০১৯ - ১৬:৩১ অপরাহ্ন

ভালো লাগলো।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন
সভ্যতার বন্ধন

সভ্যতার বন্ধন

০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ - ১২:৩৪ অপরাহ্ন

অসাধারণ উপস্থাপন ভালোবাসা নিরন্তর।

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

মন্তব্য করুন

নাম প্রকাশ করতে না চাইলে এই ঘরটি ফাকা রাখুন

এ রকম আরও কিছু লিখা

এই সাইটের বেটা টেস্টিং চলছে...